
অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার কলতাসূতি নবিটেক্সটাইল এলাকার বড়ইবাড়ী, বারল, হাতিলের লালমাঠ ও বারল পাকামাথা এলাকায় মাদক ব্যবসা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সোহরাব হোসেনের ছোট ভাই ও আওয়ামী লীগের কর্মী তারাজুল ইসলামের ছত্রছায়ায় একটি মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাং নেতা অপু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, তারাজুল ও ইসমাইলের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এর ফলে মাদকাসক্তির পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর দাবি, দিনের বিভিন্ন সময় মাদক কারবারিদের আনাগোনা দেখা গেলেও সন্ধ্যার পর তা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু স্থানে প্রকাশ্যেই মাদক বিক্রির কার্যক্রম চললেও ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে চান না।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। মাদকের বিস্তারে পরিবার ও সমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং এলাকার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব বিষয়ে প্রশাসনের কাছে নানা অভিযোগ জানানো হলেও দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মাদক ব্যবসার এমন অভিযোগ থাকার পরও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও অভিযান কেন দেখা যাচ্ছে না।
এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
পর্ব – ০১